লোড হচ্ছে...

মুক্তাগাছা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: অতিরিক্ত ফি আদায় ও হয়রানির অভিযোগ

তাসলিমা রত্না ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং নানা উপায়ে হয়রানির এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। খোদ সাব-রেজিস্ট্রারের পাশাপাশি অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারীর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে এই দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী সেবাগ্রহীতা। অতিরিক্ত টাকা না দিলে ভোগান্তি ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত ফি-র বাইরে প্রতিটি দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জোরপূর্বক আদায় করা হচ্ছে। এই সিনচিয়েটের দাবিকৃত অতিরিক্ত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে দলিল নিবন্ধনে দীর্ঘসূত্রিতা, অযথা আইনি ও কাগজপত্রের জটিলতা সৃষ্টি করা হয়। এমনকি সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্ন উপায়ে দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হতে হয়। অভিযুক্ত সিন্ডিকেট সদস্য অনুসন্ধানে ও সেবাপ্রার্থীদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে সরাসরি জড়িত রয়েছে একটি চক্র। এই সিন্ডিকেটে প্রধানত অভিযুক্তরা হলেন, এসএটি লাল মিয়া অফিস সহকারী মো. মাসুদুর রহমান এবং তাদের সাথে সম্পৃক্ত আরও কয়েকজন মধ্যস্বত্বভোগী। সেবাপ্রার্থীদের ক্ষোভ ও দাবি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এখন দালাল ও সিন্ডিকেট ছাড়া স্বাভাবিক নিয়মে সেবা পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকার নির্ধারিত রাজস্ব প্রদান করার পরও প্রতিটি পদক্ষেপে ঘুষের বলি হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। দুর্নীতির এই আখড়া ভেঙে দিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও সচেতন মহল। একই সাথে অভিযুক্ত সাব-রেজিস্ট্রার ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন তারা।

ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি

 

সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং নানা উপায়ে হয়রানির এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। খোদ সাব-রেজিস্ট্রারের পাশাপাশি অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারীর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে এই দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী সেবাগ্রহীতা।

তাসলিমা রত্না ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি

সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং নানা উপায়ে হয়রানির এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। খোদ সাব-রেজিস্ট্রারের পাশাপাশি অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারীর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে এই দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী সেবাগ্রহীতা।

অতিরিক্ত টাকা না দিলে ভোগান্তি

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত ফি-র বাইরে প্রতিটি দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জোরপূর্বক আদায় করা হচ্ছে। এই সিনচিয়েটের দাবিকৃত অতিরিক্ত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে দলিল নিবন্ধনে দীর্ঘসূত্রিতা, অযথা আইনি ও কাগজপত্রের জটিলতা সৃষ্টি করা হয়। এমনকি সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্ন উপায়ে দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হতে হয়।

অভিযুক্ত সিন্ডিকেট সদস্য

অনুসন্ধানে ও সেবাপ্রার্থীদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে সরাসরি জড়িত রয়েছে একটি চক্র। এই সিন্ডিকেটে প্রধানত অভিযুক্তরা হলেন,

এসএটি লাল মিয়া

অফিস সহকারী মো. মাসুদুর রহমান

এবং তাদের সাথে সম্পৃক্ত আরও কয়েকজন মধ্যস্বত্বভোগী।

সেবাপ্রার্থীদের ক্ষোভ ও দাবি

অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এখন দালাল ও সিন্ডিকেট ছাড়া স্বাভাবিক নিয়মে সেবা পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকার নির্ধারিত রাজস্ব প্রদান করার পরও প্রতিটি পদক্ষেপে ঘুষের বলি হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

দুর্নীতির এই আখড়া ভেঙে দিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও সচেতন মহল। একই সাথে অভিযুক্ত সাব-রেজিস্ট্রার ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন তারা।

অতিরিক্ত টাকা না দিলে ভোগান্তি

 

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত ফি-র বাইরে প্রতিটি দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জোরপূর্বক আদায় করা হচ্ছে। এই সিনচিয়েটের দাবিকৃত অতিরিক্ত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে দলিল নিবন্ধনে দীর্ঘসূত্রিতা, অযথা আইনি ও কাগজপত্রের জটিলতা সৃষ্টি করা হয়। এমনকি সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্ন উপায়ে দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হতে হয়।

 

অভিযুক্ত সিন্ডিকেট সদস্য

 

অনুসন্ধানে ও সেবাপ্রার্থীদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে সরাসরি জড়িত রয়েছে একটি চক্র। এই সিন্ডিকেটে প্রধানত অভিযুক্তরা হলেন,

 

এসএটি লাল মিয়া

 

অফিস সহকারী মো. মাসুদুর রহমান

 

এবং তাদের সাথে সম্পৃক্ত আরও কয়েকজন মধ্যস্বত্বভোগী।

 

সেবাপ্রার্থীদের ক্ষোভ ও দাবি

 

অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এখন দালাল ও সিন্ডিকেট ছাড়া স্বাভাবিক নিয়মে সেবা পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকার নির্ধারিত রাজস্ব প্রদান করার পরও প্রতিটি পদক্ষেপে ঘুষের বলি হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

 

দুর্নীতির এই আখড়া ভেঙে দিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও সচেতন মহল। একই সাথে অভিযুক্ত সাব-রেজিস্ট্রার ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন তারা।

আজকের নিউজ বাংলা

বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।

Leave a Comment