লোড হচ্ছে...

সর্বশেষ আপডেট

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর   নিজস্ব প্রতিবেদক দীর্ঘ ৩৫....

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ফখরুল-অলি লড়াই, ভোট বৃহস্পতিবার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ফখরুল-অলির লড়াই, ভোট বৃহস্পতিবার নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি....

রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ ওঠা সেই প্রবাসী জামাল উদ্দিনের মৃত্যু

অসুস্থ প্রবাসী জামাল উদ্দিনের মৃত্যু, যাঁকে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল  ....

শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্টকারীদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর   আজকের নিউজ বাংলা ডেস্ক....

ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জে রাইস মিলে অগ্নিকাণ্ড, ফায়ার সার্ভিসের ২ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণ নিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের নিউজ বাংলা প্রকাশ: ৬ আগস্ট ২০২৬ ময়মনসিংহ সদর উপজেলার শম্ভুগঞ্জ এলাকার আলালপুরে অবস্থিত একটি অটো রাইস মিলে গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ও স্থানীয় বাসিন্দাদের যৌথ প্রচেষ্টায় প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটে মিলের ভেতর থেকে হঠাৎ আগুনের লেলিহান শিখা ও ঘন ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন মিলের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং গুদামে মজুত থাকা মালামাল দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করেন। প্রায় এক ঘণ্টার নিরলস প্রচেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় আগুন পাশের লোকালয় ও অন্যান্য স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়েনি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আগুনে মিলে মজুত থাকা বিপুল পরিমাণ ধান, চালের বস্তা, প্রক্রিয়াজাতকরণের ফাঁকা বস্তা এবং স্বয়ংক্রিয় কিছু যন্ত্রপাতি পুড়ে গেছে। মিল কর্তৃপক্ষের দাবি, এতে উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিস ও মিল কর্তৃপক্ষের যৌথ তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট অথবা বয়লারের আশপাশের কোনো উত্তপ্ত উৎস থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। গভীর রাতে মিলের কার্যক্রম সীমিত থাকায় এবং দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হওয়ায় কোনো শ্রমিক বা স্থানীয় বাসিন্দা হতাহত হননি। আগুন সম্পূর্ণ নেভানোর পর ফায়ার সার্ভিস ডাম্পিং কার্যক্রমও সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।

ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জে রাইস মিলে অগ্নিকাণ্ড, ফায়ার সার্ভিসের ২ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণ

ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জে রাইস মিলে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৩....

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্যের অভিযোগে সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশা গ্রেপ্তার প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬ নিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের নিউজ বাংলা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জাল নথি প্রস্তুত এবং আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে সৈয়দ জগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ডিবি সূত্র জানায়, কক্সবাজার থেকে বিমানযোগে ঢাকায় ফেরার পর বিমানবন্দরে নজরদারির মাধ্যমে রাত আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে তাকে আটক করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সৈয়দ জগলুল পাশার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলা, যাত্রাবাড়ী থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পারভেজ হত্যা মামলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানায় ‘অপারেশন ঈগল হান্ট’ সংক্রান্ত মামলা এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানায় বিএনপি নেতা আলতাব হোসেন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে নাম রয়েছে। এছাড়া, ২০১৩ সালে রাজধানীর বনানীতে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির ঘটনায় দায়ের করা মামলার সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। ডিবি জানিয়েছে, সৈয়দ জগলুল পাশার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সূত্র: অনলাইন সংবাদ
তাসলিমা রত্না ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং নানা উপায়ে হয়রানির এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। খোদ সাব-রেজিস্ট্রারের পাশাপাশি অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারীর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে এই দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী সেবাগ্রহীতা। অতিরিক্ত টাকা না দিলে ভোগান্তি ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত ফি-র বাইরে প্রতিটি দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জোরপূর্বক আদায় করা হচ্ছে। এই সিনচিয়েটের দাবিকৃত অতিরিক্ত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে দলিল নিবন্ধনে দীর্ঘসূত্রিতা, অযথা আইনি ও কাগজপত্রের জটিলতা সৃষ্টি করা হয়। এমনকি সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্ন উপায়ে দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হতে হয়। অভিযুক্ত সিন্ডিকেট সদস্য অনুসন্ধানে ও সেবাপ্রার্থীদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে সরাসরি জড়িত রয়েছে একটি চক্র। এই সিন্ডিকেটে প্রধানত অভিযুক্তরা হলেন, এসএটি লাল মিয়া অফিস সহকারী মো. মাসুদুর রহমান এবং তাদের সাথে সম্পৃক্ত আরও কয়েকজন মধ্যস্বত্বভোগী। সেবাপ্রার্থীদের ক্ষোভ ও দাবি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এখন দালাল ও সিন্ডিকেট ছাড়া স্বাভাবিক নিয়মে সেবা পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকার নির্ধারিত রাজস্ব প্রদান করার পরও প্রতিটি পদক্ষেপে ঘুষের বলি হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। দুর্নীতির এই আখড়া ভেঙে দিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও সচেতন মহল। একই সাথে অভিযুক্ত সাব-রেজিস্ট্রার ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন তারা।

মুক্তাগাছা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: অতিরিক্ত ফি আদায় ও হয়রানির অভিযোগ

ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি   সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়....

রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর: বিচার প্রক্রিয়ায় শ্লথ গতি, রাজপথের উত্তাপ ও সংস্কারের চ্যালেঞ্জ আজ ২ আগস্ট, চব্বিশের ঐতিহাসিক ‘দ্রোহযাত্রা’ ও ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী। আবু সাঈদসহ শত শত শহীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে যে গণবিস্ফোরণ ঘটেছিল, তার দুই বছর পূর্তিতে দাঁড়িয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন এক জটিল সন্ধিক্ষণ পার করছে। একদিকে শহীদ পরিবারগুলোর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ন্যায়বিচার পাওয়ার আকুতি, অন্যদিকে রাজপথে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা এবং সংস্কার বাস্তবায়নে ধীরগতি—সব মিলিয়ে আজকের দিনটি এক গভীর আত্মসমালোচনার বার্তা নিয়ে এসেছে। বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা ও হতাশা ফ্যাসিস্ট শাসক শেখ হাসিনার পতনের দুই বছর অতিক্রান্ত হলেও গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারিক কার্যক্রমে দৃশ্যমান শ্লথগতি সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। মামলা ও আসামির পরিসংখ্যান: জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট সারা দেশে মোট ১ হাজার ৮৬৫টি মামলার মধ্যে হত্যা মামলা রয়েছে ৮০ গত১টি এবং হত্যাচেষ্টাসহ অন্যান্য অভিযোগে মামলা ১ হাজার ৬৪টি। এসব মামলায় মোট এজাহারনামীয় আসামি ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৩১ জন। তদন্তের ধীরগতি: গত ১৩ জুলাই পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ১০১টি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, যা মোট মামলার মাত্র ১৪ শতাংশ। এর মধ্যে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া হয়েছে ৬৩টিতে এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে ৩৮টিতে। ঢাকা মহানগরীর চিত্র: ডিএমপির ৫০ থানায় দায়েরকৃত ৭৮৯টি মামলার মধ্যে বিগত ২১ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ৩৭টির তদন্ত শেষ হয়েছে। সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, এ কে এম শহীদুল হক এবং সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ কিছু পুলিশ সদস্য ও দুই হাজারেরও বেশি অন্যান্য আসামি গ্রেপ্তার হলেও সামগ্রিক তদন্ত প্রক্রিয়া অত্যন্ত মন্থর। রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও রাজপথের উত্তাপ অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে ডিজিটাল ও বাস্তব পরিসরে মতপ্রকাশের সুযোগ বাড়লেও মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এখনো ফ্যাসিবাদী প্রবণতার রেশ রয়ে গেছে। সহিংসতা ও অসহিষ্ণুতা: সাম্প্রতিক সময়ে হবিগঞ্জ, সিলেট, কুড়িগ্রাম ও বগুড়ায় এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সরকারি দলের মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের অসহিষ্ণু আচরণ ও হামলার ঘটনা জুলাইয়ের মূল চেতনার পরিপন্থী। পেশিশক্তির রাজনীতি: রাজনৈতিক মতপার্থক্যের জবাব মাইরের ভাষা বা পেশিশক্তির প্রদর্শনের মাধ্যমে দেওয়ার প্রবণতা পুরোনো স্বৈরতান্ত্রিক চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিন্নমত ও সমালোচনা সহ্য করার মানসিকতার কথা বললেও মাঠপর্যায়ে তার প্রতিফলন ঘটেনি। পতিত শক্তির অপচেষ্টা: বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এনসিপির কর্মসূচিতে হামলা ও সংঘাতের সুযোগ নিয়ে পতিত আওয়ামী শক্তি বিএনপির ঘাড়ে বন্দুক রেখে ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে আওয়ামী লীগের অচেনা মুখগুলো এসব হামলায় সম্পৃক্ত হচ্ছে, যা দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। সংস্কার ও স্থিতিশীলতার চ্যালেঞ্জ চব্বিশের অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা ছিল রাষ্ট্র, সরকার ও শাসনকাঠামোয় আমূল সংস্কার আনা। নির্বাচিত সরকারের প্রায় ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও ঐকমত্য হওয়া সংস্কারগুলোর বাস্তবায়ন ও গতিপ্রকৃতি নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। সংসদের ভেতর কিছুটা বোঝাপড়া দেখা গেলেও রাজপথে পারস্পরিক বিরোধ ও উত্তাপ দিন দিন বাড়ছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ব্যাহত হলে এবং সহনশীলতার অভাব দেখা দিলে তা ফ্যাসিবাদকে পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে পারে। জুলাই অভ্যুত্থানের সুফল রক্ষার্থে এবং শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানি এড়াতে দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতান্ত্রিক সহনশীলতা ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

জুলাই শক্তির সংঘাতে কার কী অর্জন-বিসর্জন

রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর: বিচার প্রক্রিয়ায় শ্লথ গতি, রাজপথের উত্তাপ ও....

জামালপুরের মেলান্দহে দাফনের ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছেন’ ভেবে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন! মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের মেলান্দহে দাফনের দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছেন’—এমন ধারণার বশে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। পরে স্বজনরা মরদেহ নিয়ে একাধিক হাসপাতালে ছুটে গেলে চিকিৎসকরা তাকে পুনরায় মৃত ঘোষণা করেন। গত শনিবার (১ আগস্ট) রাতে উপজেলার চর মাহমুদপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে পুরো জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ মৃত ব্যক্তি: হালিমা খাতুন (৬৫), চর মাহমুদপুর গ্রামের মৃত সোহরাব আকন্দের স্ত্রী। মৃত্যু ও দাফন: বার্ধক্যজনিত কারণে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান। পরদিন শনিবার সকাল ৮টায় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। ঘটনার সময়: দাফনের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর শনিবার রাত ৯টার দিকে কবর থেকে মরদেহ তোলা হয়। কেন কবর থেকে মরদেহ তোলা হলো? স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত হালিমা খাতুনের মানসিকভাবে অসুস্থ মেয়ে সুলতানা (৪০) দাফনের পর থেকেই দাবি করতে থাকেন যে, তার মা বেঁচে আছেন এবং ‘জিন’ তাকে এ কথা জানিয়েছে। বোনের এই কথায় প্রথমে পরিবার পাত্তা না দিলেও তার লাগাতার কান্নাকাটি ও চিৎকারে স্বজনদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রাত ৯টার দিকে তারা কবর খুঁড়ে মরদেহ উত্তোলন করেন। এ বিষয়ে মৃতের ছেলে হুমায়ূন কবির বলেন, "আমার বোন বলছিল মা বেঁচে আছে। আমরা তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও সে শোনেনি। একপর্যায়ে আমরা কবর থেকে মরদেহ তুলি। তখন কেন জানি মনে হচ্ছিল মায়ের হাত-পা একটু একটু নড়ছে।" হাসপাতালে ছোটাছুটি ও চিকিৎসকদের বক্তব্য হালিমা খাতুন আসলেই জীবিত আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে রাতেই তাকে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ইসিজি করার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান যে তিনি মৃতই আছেন। তবে স্বজনরা তা সহজে মেনে নিতে না পেরে অ্যাম্বুলেন্সে করে জামালপুর সদরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেও চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত করেন যে হালিমা খাতুন অনেক আগেই মারা গেছেন। চিকিৎসকদের এই ঘোষণার পর রাতেই মরদেহ বাড়িতে ফিরিয়ে এনে পুনরায় দাফন করা হয়। প্রশাসনের বক্তব্য ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম মাহমুদুল হক জানান, বিষয়টি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
Next