শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
আজকের নিউজ বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ৯ আগস্ট ২০২৬, ৩:৫৫ PM
দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগ বাড়াতে দেশে শান্তিপূর্ণ এবং স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
রোববার (৯ আগস্ট) চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত গৃহ হস্তান্তর, অনুদান ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা থাকলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হবে। মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হলে বিনিয়োগকারীদের জন্যও একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ প্রয়োজন।
জ্বালানি সংকট নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধী দলকে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে কোনো কার্যকর প্রস্তাব থাকলে তা জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের পরামর্শ দেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, দেশকে আর পেছনে ফেলে রাখা যাবে না। মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
জ্বালানি খাত পুনর্গঠনের উদ্যোগ
বিগত সরকারের সময়ে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় খাতটি সীমিত কিছু গোষ্ঠীর স্বার্থে পরিচালিত হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে জ্বালানি খাতকে নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি জানান, বিদ্যমান জ্বালানি সংকট সমাধানে সময় প্রয়োজন। আগামী ১০ বছরে দেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা কীভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে, সে বিষয়ে একটি পরিকল্পনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
১৬ আগস্ট থেকে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাইলট প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর চলতি মাসের ১৬ তারিখ থেকে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু হবে।
চলতি অর্থবছরে দেশের ৪১ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনসহ সরকারের বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন এবং দেশের সামগ্রিক অগ্রগতি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।












