লোড হচ্ছে...

রাজনৈতিক

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ফখরুল-অলি লড়াই, ভোট বৃহস্পতিবার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ফখরুল-অলির লড়াই, ভোট বৃহস্পতিবার নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি....

শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্টকারীদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর   আজকের নিউজ বাংলা ডেস্ক....

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ

‏রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ আজকের বাংলা....

প্রেসক্লাবের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, হাসপাতালে অবরুদ্ধ শান্তা ফারজানা প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ২৩:৩৯ রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশ ও রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম (এসডিএফ)-এর নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নতুন ধারা বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা এবং এসডিএফের সদস্যসচিব আ ন ম আয়াশসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযোগ উঠেছে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় শান্তা ফারজানা ও তার দলের কয়েকজন নেতাকে প্রতিপক্ষ অবরুদ্ধ করে রাখে। জানা গেছে, গত ১ আগস্ট শান্তা ফারজানাকে মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশের উদ্যোগে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি চলাকালে এসডিএফের সদস্যসচিব আ ন ম আয়াশ ও তার অনুসারীরা সেখানে উপস্থিত হলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসডিএফ নেতাদের দাবি, কর্মসূচিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যোদ্ধা এবং বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়া হচ্ছিল। এর প্রতিবাদ জানালে শান্তা ফারজানার সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালান। অন্যদিকে, নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মেহেদি মোমিন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তারা পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন এবং সেখানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় হঠাৎ আ ন ম আয়াশের নেতৃত্বে একদল লোক হামলা চালায় এবং সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করে। সংঘর্ষে আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মঞ্চ২৪-এর আহ্বায়ক ফাহিম ফারুকী ও তার অনুসারীরা হাসপাতালে এসে শান্তা ফারজানার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। ফাহিম ফারুকীর দাবি, শান্তা ফারজানা জুলাই যোদ্ধা ও বিএনপিকে নিয়ে কটূক্তি করেছেন, তাই তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে। এ সময় চিকিৎসাধীন শান্তা ফারজানাকে জরুরি বিভাগে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ ওঠে। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, জরুরি বিভাগে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে হট্টগোল চলায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। এতে অন্যান্য রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে এক পক্ষ হাসপাতালের ভেতরে এবং অপর পক্ষ বাইরে অবস্থান করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। আজকের নিউজ বাংলা পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্য সংগ্রহ করছে। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে এই প্রতিবেদনে তা হালনাগাদ করা হবে।

প্রেসক্লাবের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ঢামেকে অবরুদ্ধ শান্তা ফারজানা

  প্রেসক্লাবের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, হাসপাতালে অবরুদ্ধ শান্তা ফারজানা প্রকাশ: ০৫....

রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর: বিচার প্রক্রিয়ায় শ্লথ গতি, রাজপথের উত্তাপ ও সংস্কারের চ্যালেঞ্জ আজ ২ আগস্ট, চব্বিশের ঐতিহাসিক ‘দ্রোহযাত্রা’ ও ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী। আবু সাঈদসহ শত শত শহীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে যে গণবিস্ফোরণ ঘটেছিল, তার দুই বছর পূর্তিতে দাঁড়িয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন এক জটিল সন্ধিক্ষণ পার করছে। একদিকে শহীদ পরিবারগুলোর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ন্যায়বিচার পাওয়ার আকুতি, অন্যদিকে রাজপথে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা এবং সংস্কার বাস্তবায়নে ধীরগতি—সব মিলিয়ে আজকের দিনটি এক গভীর আত্মসমালোচনার বার্তা নিয়ে এসেছে। বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা ও হতাশা ফ্যাসিস্ট শাসক শেখ হাসিনার পতনের দুই বছর অতিক্রান্ত হলেও গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারিক কার্যক্রমে দৃশ্যমান শ্লথগতি সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। মামলা ও আসামির পরিসংখ্যান: জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট সারা দেশে মোট ১ হাজার ৮৬৫টি মামলার মধ্যে হত্যা মামলা রয়েছে ৮০ গত১টি এবং হত্যাচেষ্টাসহ অন্যান্য অভিযোগে মামলা ১ হাজার ৬৪টি। এসব মামলায় মোট এজাহারনামীয় আসামি ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৩১ জন। তদন্তের ধীরগতি: গত ১৩ জুলাই পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ১০১টি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, যা মোট মামলার মাত্র ১৪ শতাংশ। এর মধ্যে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া হয়েছে ৬৩টিতে এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে ৩৮টিতে। ঢাকা মহানগরীর চিত্র: ডিএমপির ৫০ থানায় দায়েরকৃত ৭৮৯টি মামলার মধ্যে বিগত ২১ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ৩৭টির তদন্ত শেষ হয়েছে। সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, এ কে এম শহীদুল হক এবং সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ কিছু পুলিশ সদস্য ও দুই হাজারেরও বেশি অন্যান্য আসামি গ্রেপ্তার হলেও সামগ্রিক তদন্ত প্রক্রিয়া অত্যন্ত মন্থর। রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও রাজপথের উত্তাপ অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে ডিজিটাল ও বাস্তব পরিসরে মতপ্রকাশের সুযোগ বাড়লেও মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এখনো ফ্যাসিবাদী প্রবণতার রেশ রয়ে গেছে। সহিংসতা ও অসহিষ্ণুতা: সাম্প্রতিক সময়ে হবিগঞ্জ, সিলেট, কুড়িগ্রাম ও বগুড়ায় এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সরকারি দলের মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের অসহিষ্ণু আচরণ ও হামলার ঘটনা জুলাইয়ের মূল চেতনার পরিপন্থী। পেশিশক্তির রাজনীতি: রাজনৈতিক মতপার্থক্যের জবাব মাইরের ভাষা বা পেশিশক্তির প্রদর্শনের মাধ্যমে দেওয়ার প্রবণতা পুরোনো স্বৈরতান্ত্রিক চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিন্নমত ও সমালোচনা সহ্য করার মানসিকতার কথা বললেও মাঠপর্যায়ে তার প্রতিফলন ঘটেনি। পতিত শক্তির অপচেষ্টা: বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এনসিপির কর্মসূচিতে হামলা ও সংঘাতের সুযোগ নিয়ে পতিত আওয়ামী শক্তি বিএনপির ঘাড়ে বন্দুক রেখে ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে আওয়ামী লীগের অচেনা মুখগুলো এসব হামলায় সম্পৃক্ত হচ্ছে, যা দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। সংস্কার ও স্থিতিশীলতার চ্যালেঞ্জ চব্বিশের অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা ছিল রাষ্ট্র, সরকার ও শাসনকাঠামোয় আমূল সংস্কার আনা। নির্বাচিত সরকারের প্রায় ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও ঐকমত্য হওয়া সংস্কারগুলোর বাস্তবায়ন ও গতিপ্রকৃতি নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। সংসদের ভেতর কিছুটা বোঝাপড়া দেখা গেলেও রাজপথে পারস্পরিক বিরোধ ও উত্তাপ দিন দিন বাড়ছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ব্যাহত হলে এবং সহনশীলতার অভাব দেখা দিলে তা ফ্যাসিবাদকে পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে পারে। জুলাই অভ্যুত্থানের সুফল রক্ষার্থে এবং শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানি এড়াতে দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতান্ত্রিক সহনশীলতা ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

জুলাই শক্তির সংঘাতে কার কী অর্জন-বিসর্জন

রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর: বিচার প্রক্রিয়ায় শ্লথ গতি, রাজপথের উত্তাপ ও....

মুক্তাগাছায় তিনবারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য আব্দুস সামাদের ইন্তেকাল নিজস্ব প্রতিবেদক, মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ): ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার ৪ নম্বর কুমারগাতা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টানা তিনবারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুস সামাদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ময়মনসিংহের সায়েম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার বাদ আসর মরহুমের বাড়ির সংলগ্ন বাইতুন নূর হাফিজিয়া মাদ্রাসা মাঠে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। মৃত্যুকালে তিনি অসংখ্য গুণগ্রাহী, আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে কুমারগাতা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন আব্দুস সামাদ। টানা তিনবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে স্থানীয় জনগণের কাছে তিনি অত্যন্ত সুপরিচিত ও সম্মানিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের মানুষ তাঁর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। #ইউপি সদস্য #ইন্তেকাল #মুক্তাগাছার সংবাদ

মুক্তাগাছায় তিনবারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য আব্দুস সামাদের ইন্তেকাল

মুক্তাগাছায় তিনবারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য আব্দুস সামাদের ইন্তেকাল নিজস্ব প্রতিবেদক, মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ):....