লোড হচ্ছে...

অপরাধ

তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, আহত অবস্থায় ৯৯৯-এ ফোন

তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, আহত অবস্থায় ৯৯৯-এ ফোন   নিজস্ব প্রতিবেদক,....

রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ ওঠা সেই প্রবাসী জামাল উদ্দিনের মৃত্যু

অসুস্থ প্রবাসী জামাল উদ্দিনের মৃত্যু, যাঁকে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল  ....

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্যের অভিযোগে সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশা গ্রেপ্তার প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬ নিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের নিউজ বাংলা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জাল নথি প্রস্তুত এবং আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে সৈয়দ জগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ডিবি সূত্র জানায়, কক্সবাজার থেকে বিমানযোগে ঢাকায় ফেরার পর বিমানবন্দরে নজরদারির মাধ্যমে রাত আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে তাকে আটক করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সৈয়দ জগলুল পাশার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলা, যাত্রাবাড়ী থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পারভেজ হত্যা মামলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানায় ‘অপারেশন ঈগল হান্ট’ সংক্রান্ত মামলা এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানায় বিএনপি নেতা আলতাব হোসেন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে নাম রয়েছে। এছাড়া, ২০১৩ সালে রাজধানীর বনানীতে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির ঘটনায় দায়ের করা মামলার সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। ডিবি জানিয়েছে, সৈয়দ জগলুল পাশার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সূত্র: অনলাইন সংবাদ
নেত্রকোনায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপনের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ, সালিসে ৫ লাখ টাকা জরিমানা; তদন্তে পুলিশ আজকের নিউজ বাংলা ডেস্ক প্রকাশিত: ৫ আগস্ট ২০২৬ নেত্রকোনা সদর উপজেলায় জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পর থানায় মামলা না করে স্থানীয় বিএনপির কার্যালয়ে সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়। সালিসে অভিযুক্তকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকাছাড়া করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে সালিসের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, রিপন উপস্থিত সবার কাছে ক্ষমা চাইছেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, “ভুল করলেও করছি, না করলেও করছি। আমি আফনেরার লগে থাহন লাগবো... ভুল তো মানুষ করেই, আমি একটা ভুল কইরাইলছি।” পরে তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানের পা ধরে ক্ষমা চান। ধর্ষণের মতো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের বিচার গ্রাম্য সালিসে করাকে আইনবহির্ভূত বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত শনিবার রাত প্রায় ৮টার দিকে রিপন মিয়া তাদের বাড়িতে যান। সে সময় স্কুলছাত্রীটি বাড়ির উঠানে রান্না করছিল এবং তার বাবা স্থানীয় বাজারে চায়ের দোকানে ও মা বাইরে কাজে ছিলেন। পরিবারের দাবি, এই সুযোগে রিপন তাকে জোরপূর্বক বাড়ির পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে মেয়েটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে রিপন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরিবারের আরও অভিযোগ, ভিডিও বানানোর কথা বলে রিপন দীর্ঘদিন ধরে কিশোরীটিকে উত্ত্যক্ত করতেন। লোকলজ্জার ভয়ে প্রথমে বিষয়টি প্রকাশ না করলেও পরে এলাকায় জানাজানি হলে সোমবার রাতে স্থানীয় একটি বাজারে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সালিস অনুষ্ঠিত হয়। সালিসে যা সিদ্ধান্ত হয় সালিসে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্থানীয় বিএনপি-জামায়াতের নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে রিপন অভিযোগ স্বীকার করে ক্ষমা চান। পরে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফজলুর রহমানের বক্তব্য ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারটি দরিদ্র হওয়ায় তারা প্রথমে স্থানীয়ভাবে বিচার চেয়েছিল। পরিবারের মামলা পরিচালনার সামর্থ্য না থাকায় এলাকাবাসী সালিসে বসেন। পরে পরিবারকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। পুলিশের বক্তব্য নেত্রকোনা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল খায়ের জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। অভিযোগ দায়েরের জন্য ভুক্তভোগীকে পরিবারের সঙ্গে থানায় পাঠানো হয়েছে। সালিসে উপস্থিত দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং অভিযুক্ত রিপন মিয়াকে আটকের চেষ্টা চলছে। অভিযুক্ত সম্পর্কে রিপন মিয়া নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া গ্রামের মোক্তাল হোসেনের ছেলে। পেশায় তিনি একজন কাঠমিস্ত্রি হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিত। ‘হাই আই এম রিপন ভিডিও’ এবং ‘আই লাভ ইউ, এটাই বাস্তব’ সংলাপভিত্তিক ভিডিওর মাধ্যমে তিনি পরিচিতি পান। ২০১৯ সালে খোলা তার ফেসবুক পেজে বর্তমানে প্রায় ১৯ লাখ অনুসারী রয়েছে। ঘটনার পর থেকে রিপন মিয়ার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। উল্লেখ্য, এটি একটি অভিযোগভিত্তিক ঘটনা। অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে এবং আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

নেত্রকোনায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপনের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ, সালিসে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

নেত্রকোনায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপনের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ, সালিসে ৫ লাখ টাকা....

তাসলিমা রত্না ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং নানা উপায়ে হয়রানির এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। খোদ সাব-রেজিস্ট্রারের পাশাপাশি অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারীর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে এই দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী সেবাগ্রহীতা। অতিরিক্ত টাকা না দিলে ভোগান্তি ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত ফি-র বাইরে প্রতিটি দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জোরপূর্বক আদায় করা হচ্ছে। এই সিনচিয়েটের দাবিকৃত অতিরিক্ত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে দলিল নিবন্ধনে দীর্ঘসূত্রিতা, অযথা আইনি ও কাগজপত্রের জটিলতা সৃষ্টি করা হয়। এমনকি সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্ন উপায়ে দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হতে হয়। অভিযুক্ত সিন্ডিকেট সদস্য অনুসন্ধানে ও সেবাপ্রার্থীদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে সরাসরি জড়িত রয়েছে একটি চক্র। এই সিন্ডিকেটে প্রধানত অভিযুক্তরা হলেন, এসএটি লাল মিয়া অফিস সহকারী মো. মাসুদুর রহমান এবং তাদের সাথে সম্পৃক্ত আরও কয়েকজন মধ্যস্বত্বভোগী। সেবাপ্রার্থীদের ক্ষোভ ও দাবি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এখন দালাল ও সিন্ডিকেট ছাড়া স্বাভাবিক নিয়মে সেবা পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকার নির্ধারিত রাজস্ব প্রদান করার পরও প্রতিটি পদক্ষেপে ঘুষের বলি হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। দুর্নীতির এই আখড়া ভেঙে দিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও সচেতন মহল। একই সাথে অভিযুক্ত সাব-রেজিস্ট্রার ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন তারা।

মুক্তাগাছা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: অতিরিক্ত ফি আদায় ও হয়রানির অভিযোগ

ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি   সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়....

সড়ক দুর্ঘটনা: মধুপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ ও আনোয়ারায় বাসচাপায় প্রাণহানি

সড়ক দুর্ঘটনা: আগামীকাল টাঙ্গাইল ও চট্টগ্রামে পৃথক প্রাণহানি, স্থানীয়দের মতে নিহতের সংখ্যা....

মুক্তাগাছায় নির্বাচন ও অনিয়ম নিয়ে আলোচনা: পরিবর্তনের ডাক নিজস্ব প্রতিবেদক ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আজিজ সাহেবের সাথে এক আলাপে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে. সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ভিডিওর তথ্যানুযায়ী, নির্বাচন ব্যবস্থায় অনিয়ম এবং সাধারণ মানুষের বঞ্চিত হওয়ার বিষয়গুলো আলোচনায় এসেছে. আলোচনায় প্রকাশ পায় যে, বিগত নির্বাচনগুলোতে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ভোটাররা তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন. নির্বাচনে ভোট কেনাবেচা, প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর ভোট না দেওয়া এবং পরবর্তীতে বয়স্ক ভাতা ও টিসিবির কার্ড বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলা হয়েছে. বিশেষ করে, কার্ড দেওয়ার সময় স্বজনপ্রীতি এবং হয়রানির শিকার হওয়ার নানা তথ্য সামনে এসেছে. "হঠাৎ দেখা হলো ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপহেলার সাবেক চেয়ারম্যান আজিজ সাহেবের সাথে। তিনি আমার সাথে চা খেতে খেতে গল্প করলেন যে, চেয়ারম্যান নির্বাচনটা যে এত খারাপ হয়ে গেছে, আপনি কল্পনা করতে পারবেন না, কল্পনা করতে পারবেন না। আমি বারবার বুজিয়ে বলি যে, আপনাদের এবার আমাকে ভোটটা দেন, যে নির্ভেজাল একটা ইউনিয়ন উপহার দিব। সে হাত টানে নাই, গা টানে নাই। তাতে হেনসিং করতে যাই, এবার জাকিরমারে হাতে জাকির মারে। সে বলল, '১০ পয়সা লোক ভাই, এক টাকার ভাব ধরে, আত্মাটা ফাইটা যা, ফাইটা যা।' আমি আসছি সততা, প্রকিংসাবের পক্ষে মাঠটা তৈরি করার জন্য, আর তারা এরকম ধরনের ঘটনা ঘটাইছে। সে যখন এক বছর দায়িত্ব পালন করছে, তখন আবার মাঠে সবাইকে নিয়ে আসছে। আইসা বলতেছে, 'কে কে কাঠ পাইছেন, সবাই হাত উঠান।' একে একে জিগাইলো, 'স্যার একলা আপনি কাঠ পাইছেন?' 'হ বাবা আমি বয়স্কভাতা কাঠ পাইছি।' ও তোমার পিছে আবার কুলসুম খালা হাত উঠাইছে। 'খালা তুমি পাইছো?' কয় 'না আমি তো কাঠ পাই নাই।' কয় 'তুমি কেন পাও নাই জানো? তুমি নির্বাচনের আগে আমার কাছে দুই হাজার টাকা নিছিলা, একটা ভোটও তুমি দেও নাই।' তারপর আবার জিগাইলো, 'রেবেকা আপা, আপা আপনি কি টিসিবির চালের কাঠ পাইছেন?' 'হ বাবা আমি পাইছি।' আমি পাইছি। ঐ যে সাতে আবার আসিয়া ফুফু আছে, ফুফু তুমি পাইছো? কয় 'না ভাই আমার তো দিলেন না।' আপনি যে নির্বাচনের আগে আপনি সব নিয়ে গেছেন, এইজন্য আপনি পাচ্ছেন না। এইজন্য অনেকেই আপনারা চেয়ারম্যানের কাছ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। চেয়ারম্যানদের এরকম ধরনের নির্বাচনের ঐ বিশ দিন আপনারা জ্বালাই ফেলায় দেন, টর্চারিং করেন। কেন ভাই? এরকম করেন কেন? আপনারা একটা বড় ইমানের প্রতীক, ইনসাফের প্রতীক, রেমার্ক সম্পদ। আপনারা একটা ভোটের দ্বারা যে একটা খারাপ লোক পাস করে, যতগুলো খারাপ কাজ করবে, যত চাল চুরি করবে, ডাল চুরি করবে, তেল চুরি করবে, যত বয়স্ক বা তাতিকাতিকাত বা তাতিকাট টাকার বিনিময়ে দিবে, এই পাপের বোঝা তো আপনার ওপর কাল দিতে হবে। হেপের হবে না, হেপের হবে না। কোন ধরনের দরবার সালিশ না, একটা ঘুষ খাওয়া হবে না। সরকারি টিউলিপ আসছে টাকা নিবেন? নো! টিসিবির কার্ড, বয়স্ক তো দরকার নাই, নিবন্ধন সরকারি ফিস যে আছে ১০টা, ২০টা, তাই দিয়ে নিবেন। তাই দিয়ে নিবেন। এখন সচেতন হন, দুই নং বড়গ্রাম ইউনিয়ন মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ। যত আছেন আপনারা, আপনারা সতর্ক হয়ে যান। আর নয় পুরাতন, এবার হবে নতুন। ধন্যবাদ ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার ২ নম্বর বড়গ্রাম ইউনিয়নের ভোটার ও সাধারণ মানুষকে এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে. দুর্নীতি ও অনিয়মকে পেছনে ফেলে নতুন নেতৃত্ব ও সৎ পরিবর্তনের ডাক দিয়ে বলা হয়েছে, "আর নয় পুরাতন, এবার হবে নতুন".

মুক্তাগাছার বড়গ্রামে নির্বাচন ও কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ: পরিবর্তনের ডাক

মুক্তাগাছায় নির্বাচন ও অনিয়ম নিয়ে আলোচনা: পরিবর্তনের ডাক নিজস্ব প্রতিবেদক ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া....

মুক্তাগাছায় ২০০ টাকার গাঁজাসহ অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু আটক

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ২০০ টাকার গাঁজাসহ অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু আটক     নিজস্ব প্রতিবেদক,....

মিরপুরের ইউসুফ আলী হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আসামিদের আইনি কার্যক্রমের চিত্র

মিরপুর হত্যা মামলা: চার আসামির স্বীকারোক্তি ও জেল নির্দেশ

মিরপুরে ইউসুফ আলী হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে চারজন আদালতে অপরাধ স্বীকার করেছেন। রেষপ্রতিযোগিতার জেরে ভাড়া করা হয়েছিল পেশাদার খুনি।