লোড হচ্ছে...

সর্বশেষ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ফখরুল-অলি লড়াই, ভোট বৃহস্পতিবার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ফখরুল-অলির লড়াই, ভোট বৃহস্পতিবার নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি....

রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ ওঠা সেই প্রবাসী জামাল উদ্দিনের মৃত্যু

অসুস্থ প্রবাসী জামাল উদ্দিনের মৃত্যু, যাঁকে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল  ....

ময়মনসিংহে ৫ পরীক্ষার্থীর জন্য ৭ শিক্ষক, এসএসসিতে পাস করেনি কেউ

ময়মনসিংহে ৫ পরীক্ষার্থীর বিপরীতে ৭ শিক্ষক, এসএসসিতে পাস করেনি কেউ   জেলা....

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ

‏রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ আজকের বাংলা....

ব্রহ্মপুত্র নদীতে নিখোঁজের একদিন পর ভেসে উঠল সাইফুল ইসলামের মরদেহ

ব্রহ্মপুত্র নদীতে নিখোঁজের একদিন পর ভেসে উঠল সাইফুল ইসলামের মরদেহ নিজস্ব প্রতিবেদক:....

পুনর্গঠিত ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড, যুক্ত হলেন নওশাবা ও প্রিন্স মাহমুদ

পুনর্গঠিত হলো ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড, যুক্ত হলেন নওশাবা-প্রিন্স মাহমুদসহ....

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্যের অভিযোগে সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশা গ্রেপ্তার প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬ নিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের নিউজ বাংলা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জাল নথি প্রস্তুত এবং আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে সৈয়দ জগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ডিবি সূত্র জানায়, কক্সবাজার থেকে বিমানযোগে ঢাকায় ফেরার পর বিমানবন্দরে নজরদারির মাধ্যমে রাত আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে তাকে আটক করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সৈয়দ জগলুল পাশার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলা, যাত্রাবাড়ী থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পারভেজ হত্যা মামলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানায় ‘অপারেশন ঈগল হান্ট’ সংক্রান্ত মামলা এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানায় বিএনপি নেতা আলতাব হোসেন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে নাম রয়েছে। এছাড়া, ২০১৩ সালে রাজধানীর বনানীতে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির ঘটনায় দায়ের করা মামলার সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। ডিবি জানিয়েছে, সৈয়দ জগলুল পাশার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সূত্র: অনলাইন সংবাদ
নেত্রকোনায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপনের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ, সালিসে ৫ লাখ টাকা জরিমানা; তদন্তে পুলিশ আজকের নিউজ বাংলা ডেস্ক প্রকাশিত: ৫ আগস্ট ২০২৬ নেত্রকোনা সদর উপজেলায় জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পর থানায় মামলা না করে স্থানীয় বিএনপির কার্যালয়ে সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়। সালিসে অভিযুক্তকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকাছাড়া করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে সালিসের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, রিপন উপস্থিত সবার কাছে ক্ষমা চাইছেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, “ভুল করলেও করছি, না করলেও করছি। আমি আফনেরার লগে থাহন লাগবো... ভুল তো মানুষ করেই, আমি একটা ভুল কইরাইলছি।” পরে তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানের পা ধরে ক্ষমা চান। ধর্ষণের মতো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের বিচার গ্রাম্য সালিসে করাকে আইনবহির্ভূত বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত শনিবার রাত প্রায় ৮টার দিকে রিপন মিয়া তাদের বাড়িতে যান। সে সময় স্কুলছাত্রীটি বাড়ির উঠানে রান্না করছিল এবং তার বাবা স্থানীয় বাজারে চায়ের দোকানে ও মা বাইরে কাজে ছিলেন। পরিবারের দাবি, এই সুযোগে রিপন তাকে জোরপূর্বক বাড়ির পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে মেয়েটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে রিপন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরিবারের আরও অভিযোগ, ভিডিও বানানোর কথা বলে রিপন দীর্ঘদিন ধরে কিশোরীটিকে উত্ত্যক্ত করতেন। লোকলজ্জার ভয়ে প্রথমে বিষয়টি প্রকাশ না করলেও পরে এলাকায় জানাজানি হলে সোমবার রাতে স্থানীয় একটি বাজারে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সালিস অনুষ্ঠিত হয়। সালিসে যা সিদ্ধান্ত হয় সালিসে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্থানীয় বিএনপি-জামায়াতের নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে রিপন অভিযোগ স্বীকার করে ক্ষমা চান। পরে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফজলুর রহমানের বক্তব্য ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারটি দরিদ্র হওয়ায় তারা প্রথমে স্থানীয়ভাবে বিচার চেয়েছিল। পরিবারের মামলা পরিচালনার সামর্থ্য না থাকায় এলাকাবাসী সালিসে বসেন। পরে পরিবারকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। পুলিশের বক্তব্য নেত্রকোনা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল খায়ের জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। অভিযোগ দায়েরের জন্য ভুক্তভোগীকে পরিবারের সঙ্গে থানায় পাঠানো হয়েছে। সালিসে উপস্থিত দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং অভিযুক্ত রিপন মিয়াকে আটকের চেষ্টা চলছে। অভিযুক্ত সম্পর্কে রিপন মিয়া নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া গ্রামের মোক্তাল হোসেনের ছেলে। পেশায় তিনি একজন কাঠমিস্ত্রি হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিত। ‘হাই আই এম রিপন ভিডিও’ এবং ‘আই লাভ ইউ, এটাই বাস্তব’ সংলাপভিত্তিক ভিডিওর মাধ্যমে তিনি পরিচিতি পান। ২০১৯ সালে খোলা তার ফেসবুক পেজে বর্তমানে প্রায় ১৯ লাখ অনুসারী রয়েছে। ঘটনার পর থেকে রিপন মিয়ার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। উল্লেখ্য, এটি একটি অভিযোগভিত্তিক ঘটনা। অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে এবং আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

নেত্রকোনায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপনের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ, সালিসে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

নেত্রকোনায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপনের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ, সালিসে ৫ লাখ টাকা....

রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর: বিচার প্রক্রিয়ায় শ্লথ গতি, রাজপথের উত্তাপ ও সংস্কারের চ্যালেঞ্জ আজ ২ আগস্ট, চব্বিশের ঐতিহাসিক ‘দ্রোহযাত্রা’ ও ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী। আবু সাঈদসহ শত শত শহীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে যে গণবিস্ফোরণ ঘটেছিল, তার দুই বছর পূর্তিতে দাঁড়িয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন এক জটিল সন্ধিক্ষণ পার করছে। একদিকে শহীদ পরিবারগুলোর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ন্যায়বিচার পাওয়ার আকুতি, অন্যদিকে রাজপথে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা এবং সংস্কার বাস্তবায়নে ধীরগতি—সব মিলিয়ে আজকের দিনটি এক গভীর আত্মসমালোচনার বার্তা নিয়ে এসেছে। বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা ও হতাশা ফ্যাসিস্ট শাসক শেখ হাসিনার পতনের দুই বছর অতিক্রান্ত হলেও গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারিক কার্যক্রমে দৃশ্যমান শ্লথগতি সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। মামলা ও আসামির পরিসংখ্যান: জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট সারা দেশে মোট ১ হাজার ৮৬৫টি মামলার মধ্যে হত্যা মামলা রয়েছে ৮০ গত১টি এবং হত্যাচেষ্টাসহ অন্যান্য অভিযোগে মামলা ১ হাজার ৬৪টি। এসব মামলায় মোট এজাহারনামীয় আসামি ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৩১ জন। তদন্তের ধীরগতি: গত ১৩ জুলাই পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ১০১টি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, যা মোট মামলার মাত্র ১৪ শতাংশ। এর মধ্যে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া হয়েছে ৬৩টিতে এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে ৩৮টিতে। ঢাকা মহানগরীর চিত্র: ডিএমপির ৫০ থানায় দায়েরকৃত ৭৮৯টি মামলার মধ্যে বিগত ২১ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ৩৭টির তদন্ত শেষ হয়েছে। সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, এ কে এম শহীদুল হক এবং সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ কিছু পুলিশ সদস্য ও দুই হাজারেরও বেশি অন্যান্য আসামি গ্রেপ্তার হলেও সামগ্রিক তদন্ত প্রক্রিয়া অত্যন্ত মন্থর। রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও রাজপথের উত্তাপ অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে ডিজিটাল ও বাস্তব পরিসরে মতপ্রকাশের সুযোগ বাড়লেও মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এখনো ফ্যাসিবাদী প্রবণতার রেশ রয়ে গেছে। সহিংসতা ও অসহিষ্ণুতা: সাম্প্রতিক সময়ে হবিগঞ্জ, সিলেট, কুড়িগ্রাম ও বগুড়ায় এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সরকারি দলের মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের অসহিষ্ণু আচরণ ও হামলার ঘটনা জুলাইয়ের মূল চেতনার পরিপন্থী। পেশিশক্তির রাজনীতি: রাজনৈতিক মতপার্থক্যের জবাব মাইরের ভাষা বা পেশিশক্তির প্রদর্শনের মাধ্যমে দেওয়ার প্রবণতা পুরোনো স্বৈরতান্ত্রিক চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিন্নমত ও সমালোচনা সহ্য করার মানসিকতার কথা বললেও মাঠপর্যায়ে তার প্রতিফলন ঘটেনি। পতিত শক্তির অপচেষ্টা: বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এনসিপির কর্মসূচিতে হামলা ও সংঘাতের সুযোগ নিয়ে পতিত আওয়ামী শক্তি বিএনপির ঘাড়ে বন্দুক রেখে ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে আওয়ামী লীগের অচেনা মুখগুলো এসব হামলায় সম্পৃক্ত হচ্ছে, যা দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। সংস্কার ও স্থিতিশীলতার চ্যালেঞ্জ চব্বিশের অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা ছিল রাষ্ট্র, সরকার ও শাসনকাঠামোয় আমূল সংস্কার আনা। নির্বাচিত সরকারের প্রায় ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও ঐকমত্য হওয়া সংস্কারগুলোর বাস্তবায়ন ও গতিপ্রকৃতি নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। সংসদের ভেতর কিছুটা বোঝাপড়া দেখা গেলেও রাজপথে পারস্পরিক বিরোধ ও উত্তাপ দিন দিন বাড়ছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ব্যাহত হলে এবং সহনশীলতার অভাব দেখা দিলে তা ফ্যাসিবাদকে পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে পারে। জুলাই অভ্যুত্থানের সুফল রক্ষার্থে এবং শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানি এড়াতে দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতান্ত্রিক সহনশীলতা ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

জুলাই শক্তির সংঘাতে কার কী অর্জন-বিসর্জন

রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর: বিচার প্রক্রিয়ায় শ্লথ গতি, রাজপথের উত্তাপ ও....

Next