লোড হচ্ছে...

আজকের নিউজ বাংলা

বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।

ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জে রাইস মিলে অগ্নিকাণ্ড, ফায়ার সার্ভিসের ২ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণ নিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের নিউজ বাংলা প্রকাশ: ৬ আগস্ট ২০২৬ ময়মনসিংহ সদর উপজেলার শম্ভুগঞ্জ এলাকার আলালপুরে অবস্থিত একটি অটো রাইস মিলে গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ও স্থানীয় বাসিন্দাদের যৌথ প্রচেষ্টায় প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটে মিলের ভেতর থেকে হঠাৎ আগুনের লেলিহান শিখা ও ঘন ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন মিলের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং গুদামে মজুত থাকা মালামাল দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করেন। প্রায় এক ঘণ্টার নিরলস প্রচেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় আগুন পাশের লোকালয় ও অন্যান্য স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়েনি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আগুনে মিলে মজুত থাকা বিপুল পরিমাণ ধান, চালের বস্তা, প্রক্রিয়াজাতকরণের ফাঁকা বস্তা এবং স্বয়ংক্রিয় কিছু যন্ত্রপাতি পুড়ে গেছে। মিল কর্তৃপক্ষের দাবি, এতে উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিস ও মিল কর্তৃপক্ষের যৌথ তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট অথবা বয়লারের আশপাশের কোনো উত্তপ্ত উৎস থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। গভীর রাতে মিলের কার্যক্রম সীমিত থাকায় এবং দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হওয়ায় কোনো শ্রমিক বা স্থানীয় বাসিন্দা হতাহত হননি। আগুন সম্পূর্ণ নেভানোর পর ফায়ার সার্ভিস ডাম্পিং কার্যক্রমও সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।

ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জে রাইস মিলে অগ্নিকাণ্ড, ফায়ার সার্ভিসের ২ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণ

ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জে রাইস মিলে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৩....

পুনর্গঠিত ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড, যুক্ত হলেন নওশাবা ও প্রিন্স মাহমুদ

পুনর্গঠিত হলো ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড, যুক্ত হলেন নওশাবা-প্রিন্স মাহমুদসহ....

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্যের অভিযোগে সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশা গ্রেপ্তার প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬ নিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের নিউজ বাংলা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জাল নথি প্রস্তুত এবং আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে সৈয়দ জগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ডিবি সূত্র জানায়, কক্সবাজার থেকে বিমানযোগে ঢাকায় ফেরার পর বিমানবন্দরে নজরদারির মাধ্যমে রাত আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে তাকে আটক করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সৈয়দ জগলুল পাশার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলা, যাত্রাবাড়ী থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পারভেজ হত্যা মামলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানায় ‘অপারেশন ঈগল হান্ট’ সংক্রান্ত মামলা এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানায় বিএনপি নেতা আলতাব হোসেন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে নাম রয়েছে। এছাড়া, ২০১৩ সালে রাজধানীর বনানীতে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির ঘটনায় দায়ের করা মামলার সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। ডিবি জানিয়েছে, সৈয়দ জগলুল পাশার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সূত্র: অনলাইন সংবাদ
নেত্রকোনায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপনের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ, সালিসে ৫ লাখ টাকা জরিমানা; তদন্তে পুলিশ আজকের নিউজ বাংলা ডেস্ক প্রকাশিত: ৫ আগস্ট ২০২৬ নেত্রকোনা সদর উপজেলায় জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পর থানায় মামলা না করে স্থানীয় বিএনপির কার্যালয়ে সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়। সালিসে অভিযুক্তকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকাছাড়া করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে সালিসের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, রিপন উপস্থিত সবার কাছে ক্ষমা চাইছেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, “ভুল করলেও করছি, না করলেও করছি। আমি আফনেরার লগে থাহন লাগবো... ভুল তো মানুষ করেই, আমি একটা ভুল কইরাইলছি।” পরে তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানের পা ধরে ক্ষমা চান। ধর্ষণের মতো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের বিচার গ্রাম্য সালিসে করাকে আইনবহির্ভূত বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত শনিবার রাত প্রায় ৮টার দিকে রিপন মিয়া তাদের বাড়িতে যান। সে সময় স্কুলছাত্রীটি বাড়ির উঠানে রান্না করছিল এবং তার বাবা স্থানীয় বাজারে চায়ের দোকানে ও মা বাইরে কাজে ছিলেন। পরিবারের দাবি, এই সুযোগে রিপন তাকে জোরপূর্বক বাড়ির পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে মেয়েটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে রিপন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরিবারের আরও অভিযোগ, ভিডিও বানানোর কথা বলে রিপন দীর্ঘদিন ধরে কিশোরীটিকে উত্ত্যক্ত করতেন। লোকলজ্জার ভয়ে প্রথমে বিষয়টি প্রকাশ না করলেও পরে এলাকায় জানাজানি হলে সোমবার রাতে স্থানীয় একটি বাজারে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সালিস অনুষ্ঠিত হয়। সালিসে যা সিদ্ধান্ত হয় সালিসে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্থানীয় বিএনপি-জামায়াতের নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে রিপন অভিযোগ স্বীকার করে ক্ষমা চান। পরে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফজলুর রহমানের বক্তব্য ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারটি দরিদ্র হওয়ায় তারা প্রথমে স্থানীয়ভাবে বিচার চেয়েছিল। পরিবারের মামলা পরিচালনার সামর্থ্য না থাকায় এলাকাবাসী সালিসে বসেন। পরে পরিবারকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। পুলিশের বক্তব্য নেত্রকোনা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল খায়ের জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। অভিযোগ দায়েরের জন্য ভুক্তভোগীকে পরিবারের সঙ্গে থানায় পাঠানো হয়েছে। সালিসে উপস্থিত দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং অভিযুক্ত রিপন মিয়াকে আটকের চেষ্টা চলছে। অভিযুক্ত সম্পর্কে রিপন মিয়া নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া গ্রামের মোক্তাল হোসেনের ছেলে। পেশায় তিনি একজন কাঠমিস্ত্রি হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিত। ‘হাই আই এম রিপন ভিডিও’ এবং ‘আই লাভ ইউ, এটাই বাস্তব’ সংলাপভিত্তিক ভিডিওর মাধ্যমে তিনি পরিচিতি পান। ২০১৯ সালে খোলা তার ফেসবুক পেজে বর্তমানে প্রায় ১৯ লাখ অনুসারী রয়েছে। ঘটনার পর থেকে রিপন মিয়ার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। উল্লেখ্য, এটি একটি অভিযোগভিত্তিক ঘটনা। অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে এবং আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

নেত্রকোনায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপনের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ, সালিসে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

নেত্রকোনায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপনের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ, সালিসে ৫ লাখ টাকা....

প্রেসক্লাবের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, হাসপাতালে অবরুদ্ধ শান্তা ফারজানা প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ২৩:৩৯ রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশ ও রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম (এসডিএফ)-এর নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নতুন ধারা বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা এবং এসডিএফের সদস্যসচিব আ ন ম আয়াশসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযোগ উঠেছে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় শান্তা ফারজানা ও তার দলের কয়েকজন নেতাকে প্রতিপক্ষ অবরুদ্ধ করে রাখে। জানা গেছে, গত ১ আগস্ট শান্তা ফারজানাকে মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশের উদ্যোগে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি চলাকালে এসডিএফের সদস্যসচিব আ ন ম আয়াশ ও তার অনুসারীরা সেখানে উপস্থিত হলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসডিএফ নেতাদের দাবি, কর্মসূচিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যোদ্ধা এবং বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়া হচ্ছিল। এর প্রতিবাদ জানালে শান্তা ফারজানার সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালান। অন্যদিকে, নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মেহেদি মোমিন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তারা পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন এবং সেখানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় হঠাৎ আ ন ম আয়াশের নেতৃত্বে একদল লোক হামলা চালায় এবং সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করে। সংঘর্ষে আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মঞ্চ২৪-এর আহ্বায়ক ফাহিম ফারুকী ও তার অনুসারীরা হাসপাতালে এসে শান্তা ফারজানার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। ফাহিম ফারুকীর দাবি, শান্তা ফারজানা জুলাই যোদ্ধা ও বিএনপিকে নিয়ে কটূক্তি করেছেন, তাই তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে। এ সময় চিকিৎসাধীন শান্তা ফারজানাকে জরুরি বিভাগে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ ওঠে। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, জরুরি বিভাগে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে হট্টগোল চলায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। এতে অন্যান্য রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে এক পক্ষ হাসপাতালের ভেতরে এবং অপর পক্ষ বাইরে অবস্থান করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। আজকের নিউজ বাংলা পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্য সংগ্রহ করছে। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে এই প্রতিবেদনে তা হালনাগাদ করা হবে।

প্রেসক্লাবের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ঢামেকে অবরুদ্ধ শান্তা ফারজানা

  প্রেসক্লাবের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, হাসপাতালে অবরুদ্ধ শান্তা ফারজানা প্রকাশ: ০৫....

তাসলিমা রত্না ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং নানা উপায়ে হয়রানির এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। খোদ সাব-রেজিস্ট্রারের পাশাপাশি অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারীর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে এই দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী সেবাগ্রহীতা। অতিরিক্ত টাকা না দিলে ভোগান্তি ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত ফি-র বাইরে প্রতিটি দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জোরপূর্বক আদায় করা হচ্ছে। এই সিনচিয়েটের দাবিকৃত অতিরিক্ত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে দলিল নিবন্ধনে দীর্ঘসূত্রিতা, অযথা আইনি ও কাগজপত্রের জটিলতা সৃষ্টি করা হয়। এমনকি সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্ন উপায়ে দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হতে হয়। অভিযুক্ত সিন্ডিকেট সদস্য অনুসন্ধানে ও সেবাপ্রার্থীদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে সরাসরি জড়িত রয়েছে একটি চক্র। এই সিন্ডিকেটে প্রধানত অভিযুক্তরা হলেন, এসএটি লাল মিয়া অফিস সহকারী মো. মাসুদুর রহমান এবং তাদের সাথে সম্পৃক্ত আরও কয়েকজন মধ্যস্বত্বভোগী। সেবাপ্রার্থীদের ক্ষোভ ও দাবি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এখন দালাল ও সিন্ডিকেট ছাড়া স্বাভাবিক নিয়মে সেবা পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকার নির্ধারিত রাজস্ব প্রদান করার পরও প্রতিটি পদক্ষেপে ঘুষের বলি হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। দুর্নীতির এই আখড়া ভেঙে দিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও সচেতন মহল। একই সাথে অভিযুক্ত সাব-রেজিস্ট্রার ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন তারা।

মুক্তাগাছা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: অতিরিক্ত ফি আদায় ও হয়রানির অভিযোগ

ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি   সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়....

রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর: বিচার প্রক্রিয়ায় শ্লথ গতি, রাজপথের উত্তাপ ও সংস্কারের চ্যালেঞ্জ আজ ২ আগস্ট, চব্বিশের ঐতিহাসিক ‘দ্রোহযাত্রা’ ও ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী। আবু সাঈদসহ শত শত শহীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে যে গণবিস্ফোরণ ঘটেছিল, তার দুই বছর পূর্তিতে দাঁড়িয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন এক জটিল সন্ধিক্ষণ পার করছে। একদিকে শহীদ পরিবারগুলোর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ন্যায়বিচার পাওয়ার আকুতি, অন্যদিকে রাজপথে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা এবং সংস্কার বাস্তবায়নে ধীরগতি—সব মিলিয়ে আজকের দিনটি এক গভীর আত্মসমালোচনার বার্তা নিয়ে এসেছে। বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা ও হতাশা ফ্যাসিস্ট শাসক শেখ হাসিনার পতনের দুই বছর অতিক্রান্ত হলেও গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারিক কার্যক্রমে দৃশ্যমান শ্লথগতি সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। মামলা ও আসামির পরিসংখ্যান: জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট সারা দেশে মোট ১ হাজার ৮৬৫টি মামলার মধ্যে হত্যা মামলা রয়েছে ৮০ গত১টি এবং হত্যাচেষ্টাসহ অন্যান্য অভিযোগে মামলা ১ হাজার ৬৪টি। এসব মামলায় মোট এজাহারনামীয় আসামি ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৩১ জন। তদন্তের ধীরগতি: গত ১৩ জুলাই পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ১০১টি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, যা মোট মামলার মাত্র ১৪ শতাংশ। এর মধ্যে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া হয়েছে ৬৩টিতে এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে ৩৮টিতে। ঢাকা মহানগরীর চিত্র: ডিএমপির ৫০ থানায় দায়েরকৃত ৭৮৯টি মামলার মধ্যে বিগত ২১ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ৩৭টির তদন্ত শেষ হয়েছে। সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, এ কে এম শহীদুল হক এবং সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ কিছু পুলিশ সদস্য ও দুই হাজারেরও বেশি অন্যান্য আসামি গ্রেপ্তার হলেও সামগ্রিক তদন্ত প্রক্রিয়া অত্যন্ত মন্থর। রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও রাজপথের উত্তাপ অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে ডিজিটাল ও বাস্তব পরিসরে মতপ্রকাশের সুযোগ বাড়লেও মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এখনো ফ্যাসিবাদী প্রবণতার রেশ রয়ে গেছে। সহিংসতা ও অসহিষ্ণুতা: সাম্প্রতিক সময়ে হবিগঞ্জ, সিলেট, কুড়িগ্রাম ও বগুড়ায় এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সরকারি দলের মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের অসহিষ্ণু আচরণ ও হামলার ঘটনা জুলাইয়ের মূল চেতনার পরিপন্থী। পেশিশক্তির রাজনীতি: রাজনৈতিক মতপার্থক্যের জবাব মাইরের ভাষা বা পেশিশক্তির প্রদর্শনের মাধ্যমে দেওয়ার প্রবণতা পুরোনো স্বৈরতান্ত্রিক চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিন্নমত ও সমালোচনা সহ্য করার মানসিকতার কথা বললেও মাঠপর্যায়ে তার প্রতিফলন ঘটেনি। পতিত শক্তির অপচেষ্টা: বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এনসিপির কর্মসূচিতে হামলা ও সংঘাতের সুযোগ নিয়ে পতিত আওয়ামী শক্তি বিএনপির ঘাড়ে বন্দুক রেখে ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে আওয়ামী লীগের অচেনা মুখগুলো এসব হামলায় সম্পৃক্ত হচ্ছে, যা দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। সংস্কার ও স্থিতিশীলতার চ্যালেঞ্জ চব্বিশের অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা ছিল রাষ্ট্র, সরকার ও শাসনকাঠামোয় আমূল সংস্কার আনা। নির্বাচিত সরকারের প্রায় ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও ঐকমত্য হওয়া সংস্কারগুলোর বাস্তবায়ন ও গতিপ্রকৃতি নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। সংসদের ভেতর কিছুটা বোঝাপড়া দেখা গেলেও রাজপথে পারস্পরিক বিরোধ ও উত্তাপ দিন দিন বাড়ছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ব্যাহত হলে এবং সহনশীলতার অভাব দেখা দিলে তা ফ্যাসিবাদকে পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে পারে। জুলাই অভ্যুত্থানের সুফল রক্ষার্থে এবং শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানি এড়াতে দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতান্ত্রিক সহনশীলতা ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

জুলাই শক্তির সংঘাতে কার কী অর্জন-বিসর্জন

রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর: বিচার প্রক্রিয়ায় শ্লথ গতি, রাজপথের উত্তাপ ও....

জামালপুরের মেলান্দহে দাফনের ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছেন’ ভেবে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন! মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের মেলান্দহে দাফনের দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছেন’—এমন ধারণার বশে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। পরে স্বজনরা মরদেহ নিয়ে একাধিক হাসপাতালে ছুটে গেলে চিকিৎসকরা তাকে পুনরায় মৃত ঘোষণা করেন। গত শনিবার (১ আগস্ট) রাতে উপজেলার চর মাহমুদপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে পুরো জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ মৃত ব্যক্তি: হালিমা খাতুন (৬৫), চর মাহমুদপুর গ্রামের মৃত সোহরাব আকন্দের স্ত্রী। মৃত্যু ও দাফন: বার্ধক্যজনিত কারণে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান। পরদিন শনিবার সকাল ৮টায় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। ঘটনার সময়: দাফনের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর শনিবার রাত ৯টার দিকে কবর থেকে মরদেহ তোলা হয়। কেন কবর থেকে মরদেহ তোলা হলো? স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত হালিমা খাতুনের মানসিকভাবে অসুস্থ মেয়ে সুলতানা (৪০) দাফনের পর থেকেই দাবি করতে থাকেন যে, তার মা বেঁচে আছেন এবং ‘জিন’ তাকে এ কথা জানিয়েছে। বোনের এই কথায় প্রথমে পরিবার পাত্তা না দিলেও তার লাগাতার কান্নাকাটি ও চিৎকারে স্বজনদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রাত ৯টার দিকে তারা কবর খুঁড়ে মরদেহ উত্তোলন করেন। এ বিষয়ে মৃতের ছেলে হুমায়ূন কবির বলেন, "আমার বোন বলছিল মা বেঁচে আছে। আমরা তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও সে শোনেনি। একপর্যায়ে আমরা কবর থেকে মরদেহ তুলি। তখন কেন জানি মনে হচ্ছিল মায়ের হাত-পা একটু একটু নড়ছে।" হাসপাতালে ছোটাছুটি ও চিকিৎসকদের বক্তব্য হালিমা খাতুন আসলেই জীবিত আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে রাতেই তাকে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ইসিজি করার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান যে তিনি মৃতই আছেন। তবে স্বজনরা তা সহজে মেনে নিতে না পেরে অ্যাম্বুলেন্সে করে জামালপুর সদরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেও চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত করেন যে হালিমা খাতুন অনেক আগেই মারা গেছেন। চিকিৎসকদের এই ঘোষণার পর রাতেই মরদেহ বাড়িতে ফিরিয়ে এনে পুনরায় দাফন করা হয়। প্রশাসনের বক্তব্য ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম মাহমুদুল হক জানান, বিষয়টি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

সড়ক দুর্ঘটনা: মধুপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ ও আনোয়ারায় বাসচাপায় প্রাণহানি

সড়ক দুর্ঘটনা: আগামীকাল টাঙ্গাইল ও চট্টগ্রামে পৃথক প্রাণহানি, স্থানীয়দের মতে নিহতের সংখ্যা....

মুক্তাগাছায় নির্বাচন ও অনিয়ম নিয়ে আলোচনা: পরিবর্তনের ডাক নিজস্ব প্রতিবেদক ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আজিজ সাহেবের সাথে এক আলাপে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে. সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ভিডিওর তথ্যানুযায়ী, নির্বাচন ব্যবস্থায় অনিয়ম এবং সাধারণ মানুষের বঞ্চিত হওয়ার বিষয়গুলো আলোচনায় এসেছে. আলোচনায় প্রকাশ পায় যে, বিগত নির্বাচনগুলোতে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ভোটাররা তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন. নির্বাচনে ভোট কেনাবেচা, প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর ভোট না দেওয়া এবং পরবর্তীতে বয়স্ক ভাতা ও টিসিবির কার্ড বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলা হয়েছে. বিশেষ করে, কার্ড দেওয়ার সময় স্বজনপ্রীতি এবং হয়রানির শিকার হওয়ার নানা তথ্য সামনে এসেছে. "হঠাৎ দেখা হলো ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপহেলার সাবেক চেয়ারম্যান আজিজ সাহেবের সাথে। তিনি আমার সাথে চা খেতে খেতে গল্প করলেন যে, চেয়ারম্যান নির্বাচনটা যে এত খারাপ হয়ে গেছে, আপনি কল্পনা করতে পারবেন না, কল্পনা করতে পারবেন না। আমি বারবার বুজিয়ে বলি যে, আপনাদের এবার আমাকে ভোটটা দেন, যে নির্ভেজাল একটা ইউনিয়ন উপহার দিব। সে হাত টানে নাই, গা টানে নাই। তাতে হেনসিং করতে যাই, এবার জাকিরমারে হাতে জাকির মারে। সে বলল, '১০ পয়সা লোক ভাই, এক টাকার ভাব ধরে, আত্মাটা ফাইটা যা, ফাইটা যা।' আমি আসছি সততা, প্রকিংসাবের পক্ষে মাঠটা তৈরি করার জন্য, আর তারা এরকম ধরনের ঘটনা ঘটাইছে। সে যখন এক বছর দায়িত্ব পালন করছে, তখন আবার মাঠে সবাইকে নিয়ে আসছে। আইসা বলতেছে, 'কে কে কাঠ পাইছেন, সবাই হাত উঠান।' একে একে জিগাইলো, 'স্যার একলা আপনি কাঠ পাইছেন?' 'হ বাবা আমি বয়স্কভাতা কাঠ পাইছি।' ও তোমার পিছে আবার কুলসুম খালা হাত উঠাইছে। 'খালা তুমি পাইছো?' কয় 'না আমি তো কাঠ পাই নাই।' কয় 'তুমি কেন পাও নাই জানো? তুমি নির্বাচনের আগে আমার কাছে দুই হাজার টাকা নিছিলা, একটা ভোটও তুমি দেও নাই।' তারপর আবার জিগাইলো, 'রেবেকা আপা, আপা আপনি কি টিসিবির চালের কাঠ পাইছেন?' 'হ বাবা আমি পাইছি।' আমি পাইছি। ঐ যে সাতে আবার আসিয়া ফুফু আছে, ফুফু তুমি পাইছো? কয় 'না ভাই আমার তো দিলেন না।' আপনি যে নির্বাচনের আগে আপনি সব নিয়ে গেছেন, এইজন্য আপনি পাচ্ছেন না। এইজন্য অনেকেই আপনারা চেয়ারম্যানের কাছ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। চেয়ারম্যানদের এরকম ধরনের নির্বাচনের ঐ বিশ দিন আপনারা জ্বালাই ফেলায় দেন, টর্চারিং করেন। কেন ভাই? এরকম করেন কেন? আপনারা একটা বড় ইমানের প্রতীক, ইনসাফের প্রতীক, রেমার্ক সম্পদ। আপনারা একটা ভোটের দ্বারা যে একটা খারাপ লোক পাস করে, যতগুলো খারাপ কাজ করবে, যত চাল চুরি করবে, ডাল চুরি করবে, তেল চুরি করবে, যত বয়স্ক বা তাতিকাতিকাত বা তাতিকাট টাকার বিনিময়ে দিবে, এই পাপের বোঝা তো আপনার ওপর কাল দিতে হবে। হেপের হবে না, হেপের হবে না। কোন ধরনের দরবার সালিশ না, একটা ঘুষ খাওয়া হবে না। সরকারি টিউলিপ আসছে টাকা নিবেন? নো! টিসিবির কার্ড, বয়স্ক তো দরকার নাই, নিবন্ধন সরকারি ফিস যে আছে ১০টা, ২০টা, তাই দিয়ে নিবেন। তাই দিয়ে নিবেন। এখন সচেতন হন, দুই নং বড়গ্রাম ইউনিয়ন মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ। যত আছেন আপনারা, আপনারা সতর্ক হয়ে যান। আর নয় পুরাতন, এবার হবে নতুন। ধন্যবাদ ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার ২ নম্বর বড়গ্রাম ইউনিয়নের ভোটার ও সাধারণ মানুষকে এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে. দুর্নীতি ও অনিয়মকে পেছনে ফেলে নতুন নেতৃত্ব ও সৎ পরিবর্তনের ডাক দিয়ে বলা হয়েছে, "আর নয় পুরাতন, এবার হবে নতুন".

মুক্তাগাছার বড়গ্রামে নির্বাচন ও কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ: পরিবর্তনের ডাক

মুক্তাগাছায় নির্বাচন ও অনিয়ম নিয়ে আলোচনা: পরিবর্তনের ডাক নিজস্ব প্রতিবেদক ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া....