প্রেসক্লাবের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, হাসপাতালে অবরুদ্ধ শান্তা ফারজানা
প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ২৪:২৭

প্রেসক্লাবের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ঢামেকে অবরুদ্ধ শান্তা ফারজানা
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশ ও রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম (এসডিএফ)-এর নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নতুন ধারা বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা এবং এসডিএফের সদস্যসচিব আ ন ম আয়াশসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযোগ উঠেছে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় শান্তা ফারজানা ও তার দলের কয়েকজন নেতাকে প্রতিপক্ষ অবরুদ্ধ করে রাখে।
জানা গেছে, গত ১ আগস্ট শান্তা ফারজানাকে মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশের উদ্যোগে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি চলাকালে এসডিএফের সদস্যসচিব আ ন ম আয়াশ ও তার অনুসারীরা সেখানে উপস্থিত হলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এসডিএফ নেতাদের দাবি, কর্মসূচিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যোদ্ধা এবং বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়া হচ্ছিল। এর প্রতিবাদ জানালে শান্তা ফারজানার সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালান।
অন্যদিকে, নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মেহেদি মোমিন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তারা পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন এবং সেখানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় হঠাৎ আ ন ম আয়াশের নেতৃত্বে একদল লোক হামলা চালায় এবং সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করে।
সংঘর্ষে আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মঞ্চ২৪-এর আহ্বায়ক ফাহিম ফারুকী ও তার অনুসারীরা হাসপাতালে এসে শান্তা ফারজানার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। ফাহিম ফারুকীর দাবি, শান্তা ফারজানা জুলাই যোদ্ধা ও বিএনপিকে নিয়ে কটূক্তি করেছেন, তাই তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে। এ সময় চিকিৎসাধীন শান্তা ফারজানাকে জরুরি বিভাগে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ ওঠে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, জরুরি বিভাগে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে হট্টগোল চলায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। এতে অন্যান্য রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে এক পক্ষ হাসপাতালের ভেতরে এবং অপর পক্ষ বাইরে অবস্থান করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে।
আজকের নিউজ বাংলা পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্য সংগ্রহ করছে। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে এই প্রতিবেদনে তা হালনাগাদ করা হবে।












