লোড হচ্ছে...

জামালপুরের মেলান্দহে দাফনের ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছেন’ ভেবে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন

জামালপুরের মেলান্দহে দাফনের ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছেন’ ভেবে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন! মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের মেলান্দহে দাফনের দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছেন’—এমন ধারণার বশে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। পরে স্বজনরা মরদেহ নিয়ে একাধিক হাসপাতালে ছুটে গেলে চিকিৎসকরা তাকে পুনরায় মৃত ঘোষণা করেন। গত শনিবার (১ আগস্ট) রাতে উপজেলার চর মাহমুদপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে পুরো জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ মৃত ব্যক্তি: হালিমা খাতুন (৬৫), চর মাহমুদপুর গ্রামের মৃত সোহরাব আকন্দের স্ত্রী। মৃত্যু ও দাফন: বার্ধক্যজনিত কারণে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান। পরদিন শনিবার সকাল ৮টায় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। ঘটনার সময়: দাফনের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর শনিবার রাত ৯টার দিকে কবর থেকে মরদেহ তোলা হয়। কেন কবর থেকে মরদেহ তোলা হলো? স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত হালিমা খাতুনের মানসিকভাবে অসুস্থ মেয়ে সুলতানা (৪০) দাফনের পর থেকেই দাবি করতে থাকেন যে, তার মা বেঁচে আছেন এবং ‘জিন’ তাকে এ কথা জানিয়েছে। বোনের এই কথায় প্রথমে পরিবার পাত্তা না দিলেও তার লাগাতার কান্নাকাটি ও চিৎকারে স্বজনদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রাত ৯টার দিকে তারা কবর খুঁড়ে মরদেহ উত্তোলন করেন। এ বিষয়ে মৃতের ছেলে হুমায়ূন কবির বলেন, "আমার বোন বলছিল মা বেঁচে আছে। আমরা তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও সে শোনেনি। একপর্যায়ে আমরা কবর থেকে মরদেহ তুলি। তখন কেন জানি মনে হচ্ছিল মায়ের হাত-পা একটু একটু নড়ছে।" হাসপাতালে ছোটাছুটি ও চিকিৎসকদের বক্তব্য হালিমা খাতুন আসলেই জীবিত আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে রাতেই তাকে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ইসিজি করার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান যে তিনি মৃতই আছেন। তবে স্বজনরা তা সহজে মেনে নিতে না পেরে অ্যাম্বুলেন্সে করে জামালপুর সদরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেও চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত করেন যে হালিমা খাতুন অনেক আগেই মারা গেছেন। চিকিৎসকদের এই ঘোষণার পর রাতেই মরদেহ বাড়িতে ফিরিয়ে এনে পুনরায় দাফন করা হয়। প্রশাসনের বক্তব্য ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম মাহমুদুল হক জানান, বিষয়টি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

জামালপুরের মেলান্দহে দাফনের ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছেন’ ভেবে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন!

মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি:

জামালপুরের মেলান্দহে দাফনের দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছেন’—এমন ধারণার বশে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। পরে স্বজনরা মরদেহ নিয়ে একাধিক হাসপাতালে ছুটে গেলে চিকিৎসকরা তাকে পুনরায় মৃত ঘোষণা করেন।

জামালপুরের মেলান্দহে দাফনের ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছেন’ ভেবে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন!মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি:
জামালপুরের মেলান্দহে দাফনের দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছেন’—এমন ধারণার বশে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। পরে স্বজনরা মরদেহ নিয়ে একাধিক হাসপাতালে ছুটে গেলে চিকিৎসকরা তাকে পুনরায় মৃত ঘোষণা করেন।
গত শনিবার (১ আগস্ট) রাতে উপজেলার চর মাহমুদপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে পুরো জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
মৃত ব্যক্তি: হালিমা খাতুন (৬৫), চর মাহমুদপুর গ্রামের মৃত সোহরাব আকন্দের স্ত্রী।
মৃত্যু ও দাফন: বার্ধক্যজনিত কারণে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান। পরদিন শনিবার সকাল ৮টায় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।
ঘটনার সময়: দাফনের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর শনিবার রাত ৯টার দিকে কবর থেকে মরদেহ তোলা হয়।
কেন কবর থেকে মরদেহ তোলা হলো?
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত হালিমা খাতুনের মানসিকভাবে অসুস্থ মেয়ে সুলতানা (৪০) দাফনের পর থেকেই দাবি করতে থাকেন যে, তার মা বেঁচে আছেন এবং ‘জিন’ তাকে এ কথা জানিয়েছে। বোনের এই কথায় প্রথমে পরিবার পাত্তা না দিলেও তার লাগাতার কান্নাকাটি ও চিৎকারে স্বজনদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রাত ৯টার দিকে তারা কবর খুঁড়ে মরদেহ উত্তোলন করেন।
এ বিষয়ে মৃতের ছেলে হুমায়ূন কবির বলেন,
"আমার বোন বলছিল মা বেঁচে আছে। আমরা তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও সে শোনেনি। একপর্যায়ে আমরা কবর থেকে মরদেহ তুলি। তখন কেন জানি মনে হচ্ছিল মায়ের হাত-পা একটু একটু নড়ছে।"
হাসপাতালে ছোটাছুটি ও চিকিৎসকদের বক্তব্য
হালিমা খাতুন আসলেই জীবিত আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে রাতেই তাকে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ইসিজি করার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান যে তিনি মৃতই আছেন।
তবে স্বজনরা তা সহজে মেনে নিতে না পেরে অ্যাম্বুলেন্সে করে জামালপুর সদরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেও চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত করেন যে হালিমা খাতুন অনেক আগেই মারা গেছেন। চিকিৎসকদের এই ঘোষণার পর রাতেই মরদেহ বাড়িতে ফিরিয়ে এনে পুনরায় দাফন করা হয়।
প্রশাসনের বক্তব্য
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম মাহমুদুল হক জানান, বিষয়টি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
জামালপুরের মেলান্দহে দাফনের ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছেন’ ভেবে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন

গত শনিবার (১ আগস্ট) রাতে উপজেলার চর মাহমুদপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে পুরো জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ

মৃত ব্যক্তি: হালিমা খাতুন (৬৫), চর মাহমুদপুর গ্রামের মৃত সোহরাব আকন্দের স্ত্রী।

মৃত্যু ও দাফন: বার্ধক্যজনিত কারণে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান। পরদিন শনিবার সকাল ৮টায় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

ঘটনার সময়: দাফনের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর শনিবার রাত ৯টার দিকে কবর থেকে মরদেহ তোলা হয়।

কেন কবর থেকে মরদেহ তোলা হলো?

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত হালিমা খাতুনের মানসিকভাবে অসুস্থ মেয়ে সুলতানা (৪০) দাফনের পর থেকেই দাবি করতে থাকেন যে, তার মা বেঁচে আছেন এবং ‘জিন’ তাকে এ কথা জানিয়েছে। বোনের এই কথায় প্রথমে পরিবার পাত্তা না দিলেও তার লাগাতার কান্নাকাটি ও চিৎকারে স্বজনদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রাত ৯টার দিকে তারা কবর খুঁড়ে মরদেহ উত্তোলন করেন।

এ বিষয়ে মৃতের ছেলে হুমায়ূন কবির বলেন,

“আমার বোন বলছিল মা বেঁচে আছে। আমরা তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও সে শোনেনি। একপর্যায়ে আমরা কবর থেকে মরদেহ তুলি। তখন কেন জানি মনে হচ্ছিল মায়ের হাত-পা একটু একটু নড়ছে।”

হাসপাতালে ছোটাছুটি ও চিকিৎসকদের বক্তব্য

হালিমা খাতুন আসলেই জীবিত আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে রাতেই তাকে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ইসিজি করার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান যে তিনি মৃতই আছেন।

তবে স্বজনরা তা সহজে মেনে নিতে না পেরে অ্যাম্বুলেন্সে করে জামালপুর সদরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেও চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত করেন যে হালিমা খাতুন অনেক আগেই মারা গেছেন। চিকিৎসকদের এই ঘোষণার পর রাতেই মরদেহ বাড়িতে ফিরিয়ে এনে পুনরায় দাফন করা হয়।

প্রশাসনের বক্তব্য

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম মাহমুদুল হক জানান, বিষয়টি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

আজকের নিউজ বাংলা

বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।

Leave a Comment